মেঘ রাশির জীবাশ্মের যুক্তাক্ষররা ডানা মেলে
উড়তে চায় চেনা অধ্যায়ে ।
তৃতীয় নয়ন ছুঁয়ে ভেসে আসছে ছোট্ট সেই পুরোনো ডিঙি নৌকাটা...,,
প্রবালদ্বীপের রঙিন কাগজ-টুকরো জুড়ে জুড়ে এ শহরে একান্নবর্তী বাড়িগুলো আজ খুব একলা হয়ে পড়ছে ,,
খোলা উঠোন মুড়ে দিচ্ছে গোড়ালির ছাপ।
বিকেলের খোলা ছাদে বেহিসেবি হয়ে ভিজছে কয়েকটা কাক.,
এই সময় গঙ্গার পাড় ধরে খানিক ছুটে যেতে ইচ্ছা করছে .... তারপর দু'চোখ বন্ধ করে ধূপের গন্ধ আর উপনিবেশ খুঁজে নিতে ভীষণ ভীষন মন চাইছে ।
আমার মন ভালো নেই ভেবে শরীর খারাপ কোরো না তুমি।
অথবা শরীর খারাপ ভেবে মন।
বেহিসেবি এলোমেলো দিগন্তভ্রমণে মেঘেরা ছুঁড়ে দেয় নানান চিরকুট .....তার সবকটি তুমি না পড়লেই ভালো ,
আসলে মেঘেরাও এক একটি ঋতুতে সহবাসের ঋণ তুলে ধরতে ভালোবাসে।
আমরা নাহয় এভাবেই তুলির টানে ও রেখায় মিলিত হব বাকি দিন গুলো ।
হঠাৎ হঠাৎ ধামসা মাদলের তালে তালে কারা যেন তাড়িয়ে নিয়ে চলে আমায় আর তোমায় ।
শালবনের ফাঁকে পায়েচলা সরু পথে... শুকনো পাতা দুপায়ে মাড়িয়ে। ঝুমঝুমির শব্দ ওঠে।
আমরা দুজন যেন অনর্গল হেঁটে চলা প্রাচীন মানুষ না ইতিহাস বুঝতে পারি না ।
পাতার ঝরে পড়া দেখি অথচ শেষবেলার উপমা মনে ক'রে বুকের ভেতর ধুয়ে নিই আমার বারান্দার বাগান... গান বাঁধার সাজসরঞ্জাম...
আর ক্যানভাস রং।
এই মেঘেদের ভিড়েও তুমি কোন রাশির জাতক আমার চিনে নিতে অসুবিধা হয় না ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন