একা রাত জেগে ঘুরে বেড়ানো শহরের আস্তাকুঁড়ে ...
মাটির ভিজে গন্ধ... মড়া পোড়ানোর কাঠ ও আগুন... সাথেই থাকে .....আর থাকে কোনো না কোনো সম্পর্কের ওপারে একটা করে শব দেহ।
হয়ত ফুরিয়ে যাওয়া যা-কিছু... ভিড় করে আসতে সাহস1 পায় অন্ধকারেই জোনাকীর পাখায় ভর করে ..... আমি শক্ত হাতেই এবার নিজেই দরজা জানালা বন্ধ করে নিয়েছি মিথ্যেবাদী পৃথিবীর থেকে ।
এ শহরে যত চিৎকার যত শব্দ... তত মিথ্যের আতুর ঘরে প্রহসনের জন্ম ।
গভীর রাতে দূরে ফাঁকা শহরটা ডিঙিয়ে নৌকার ওপর আলো আর অন্ধকার নিয়ে বসি মুখোমুখি ... যেন কেউ প্রদীপ ভাসিয়েছে সাথে কিছু পাপ।
হাওয়ার ধাক্কায় গাছের পাতা... চিতাকাঠ আর নির্দিষ্ট কিছু অন্ধকার একটা ঠিকানায় পৌঁছে যায় নিয়ম মেনে।।
আমরা একসাথে ঝাঁপ দিয়েছি ভাঙনের ঢালে,,
তাই মৃত্যু দু ভাগে আসবে না জানি কখনোই,,,
আমার আহ্নিক গতির সাথে তাল রেখে... পেনসিলে হিজিবিজি কাটতে কাটতে কবিতার ছায়া...আর যন্ত্রনায় কেঁপে উঠত যে শরীরটা....
আজ তাকে কেউ বলে দেয় না কতটা কষ্ট দিয়েছে নিঃশব্দ ঘরে নন্দনে এর মিথ্যে চিঠি বিলি ।
একদিন যা কিছু আঁকব বলে ভাবতাম তা সবই জমা হ'ত হাজার হাজার আলোকবর্ষ পার হওয়া কোন রূপকথার জীবাশ্মে,আজ তার সবটুকু নামকরণ হয় বেশ্যার সাথে কাটানো খেলা বলে ।
। ভিতরমহলের প্রতিটি কোণে আলো-ছায়ার ইশারা বুঝতে পারতাম ঠকে যাচ্ছে মেয়েটা । একদিন ............
সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে তাই উড়ন্ত ফেনার বলয়ে নিজেকে সঁপে দিলাম আমি।
নীল আগুনে পুড়ে গেছে সবকিছু... তাকে দেওয়া গিটারের সুর-ও .........।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন