তার দশ আঙুলে আজন্ম পাপ-নকশার এর শব্দজব্দর সুতোর বুনন ,,
তাকে নিঃশব্দে ভুলিয়ে দেয় চুপ কথা পুরোনো ভিটেমাটির টান, আর জন্ম জঠরের ঠিকানা ,,
ইতিহাস লিখতে ভালোবাসে বলেই সে তার হত্যার
তালিকা রোজ বাড়াতে থাকে গোপনে ,,
জল রঙা পর্দায় সন্ধ্যের প্রথম তারা লুকোচুরি খেলে তার সাজানো তাসের ঘরে । ,
উত্তরের বারান্দায় কখনো সে আসেনি রাতের ডাক শুনতে ,
তবু তার প্রবাহ জুড়ে শুধুই সোনালী রাংতা মোড়ানো নিঃস্বতা .....।
ঈশ্বর শব্দের মানে আমি কখনো কোনো অভিধানে পাইনি ....একবার শুধু বিশ্বাস করতে চেয়েছিলাম
তার তথাস্তু উচ্চারণে ,
অথচ তারপর থেকে আমার আলপথে সারি সারি মিথ্যুকের মিছিল দেখেছি শুধুমাত্র।,
কার্নিশে রাখা ঝুলন্ত সময় আজ এত দিন পরেও দুর্গন্ধ ছড়িয়ে যায় বাতাসের ভরে তার উপত্যকা থেকে আমার ঠিকানায়,,
গাছের পাতা মৃত্যুর আগে রং বদলে নেয় ...
সম্পর্ক গুলোর মৃত্যুর আগে আকর্ষণ হীন ফ্যাকাসে তেজপাতা রঙের জলে দুটো মানুষ দীর্ঘ দিন স্নান করতে থাকে ...তারপর আসে ভাগে ভাগ দীর্ঘ মৃত্যু।
ছেড়া ছেড়া শোকের পাশে একদিন ঠিক শরতের মেঘ বসত খুঁজে নেবে ....ততক্ষণ চোখে ঘন
মেঘেদের ধারাবাহিক হিসেব নিকেশের বৃষ্টি পাত
মেনে নিতেই হয় ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন