মেয়েটার খোলা স্তনে স্তূপীকৃত সময়ের ধুলো
মুঠোয় নিষিক্ত লাস্য বেপানহা জিন্দেগী ।
বহু ক্রোশ দূরে...রেলব্রিজে শব্দ হচ্ছে পৃথিবীর
বেঁচে থাকার ,
______ চিঠিদের যাওয়া-আসার রাস্তা যেন
অযৌক্তিক মনে হয় আজ,.... অথচ
.তখন বুঝিনি মাটির নীচে মানুষের
________মাত্র চার হাত জায়গা লাগে...আর মাটির ওপর একটা গোটা পৃথিবী ছোটো মনে হয় ,
ভেবে দেখলে মনে হয় এক জীবন বেঁচে থাকায়
কটাই বা মানুষ লাগে আসে পাশে বড় জোর পাঁচ কি ছয় জন ....অথচ এই পাঁচ ছয় জন মানুষ খুঁজতে মানুষের খোয়াড় ঘেঁটে গোবর মাখা করে ছাড়ে সকলে ...., তারপরেও নাটক আর নাটক ।
জেয়সে জিন্দেগী এক জুয়া কি খেল হ্যায় ।
বাদ দিই সব ওই মেয়েটার স্তনে মনোযোগ দেওয়া যাক , আচ্ছা মশার কামড়ে মেয়েটার কি প্রেমিকার বৃন্ত দংশন এর কথা মনে পড়ে নাকি সন্তানের কথা মনে পড়ে ?
যদি এসবের কিছুই না মনে হয় তাহলে মেয়েটি বুঝবে যে জীবনটা শুধুই গদ্য একটাও কবিতার জন্ম হয় নি সারা জীবন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন