কুয়োয় ফেলে রাখা দড়ি কারও নয় ভেবে
.................................................... ছায়া ঝুলিয়ে ছিলাম
তখন তুমি করাতকল সাজালে রংবেরং চেড়াই কাঠে...
ঘুমের ঘোরে অনেক রাত অবধি একটা নাম উচ্চারণ আর কলাপাতায় সাজানো নদীতে একটা ভাসমান ঈশ্বরের দেহ নিয়ে আমি ভোরের দিকে মুখ করে হাঁটতে থাকি ......
অথচ .......
সে নদীটা আমায় দেয় নি ... তবুও
মেঘ সেদিন বয়ে নিয়ে গেছিলো মৃত সম্পর্কের দেহ,
আমি ছাড়া এ শহরে সাক্ষী ছিল যারা তারা দু পয়সায় নিজেদের বিকিয়ে ফেলেছে তাদের চারফুট জমিন ।
এখন ডোরাকাটা গায়ে উড়ে বেড়ানোর কোনো আশ্চর্য প্রকরণ... হলুদ দাঁতের ফাঁকে নিকোটিনের আগুন... গলায় সাদা তরল ঢেলে সার্কাসের এক রিং থেকে অন্য রিংয়ে... ছাদ থেকে ঝাঁপিয়ে... বিবর্ণ চিঠির বাক্সে নিজেকে রাখে যারা তাদের
নাম হীন প্রাণী বলা যেতে পারে কিনা আমার জানা নেই ।
তুমি তো জানতে পুড়ে পুড়ে কালো হয়ে উঠছে বীজদেহ
চিতা থেকে ধোঁয়া উড়ছে যে পথে
..................... সেখানে স্মৃতিহীন রোদ চমকায়...
কর্পূর নিভে গেলে হেরে যাওয়া শর্তে
রুমালে জড়ানো গোত্র... লুকিয়ে রাখতে হয় জীবন ভর। এসব কিছু তুমি তো জানতে ,,।
,
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন