একা একা বিসর্জনের দৃশ্য দেখি দেগঙ্গায়
আমাদের দীর্ঘ কাটানো দৃশ্যের ।
একা একা তোমার আড়াল ...আর
. দাহটিকা পেরোতে গিয়ে কত নে সাঁকো নদী হয়ে যায়
......... কত নদী সাঁকো তার হিসেব করি এমন
নিস্তার সময় আমাদের কারো কাছেই নেই ,
কর্পূর নিভে গেলে হেরে যাওয়া শর্তে
রুমালে জড়ানো আমাদের গোত্র... লুকিয়ে পোড়াই এই ভেবে যে কাছে আছো এই আঘ্রান পাওয়ার চেষ্টায় ।
যেসব রাতে বৃষ্টি নামত তোমার ফিরতি পথে .. ল্যম্পপোস্ট-এর আলোয় মনে হত বৃষ্টির ফোঁটাগুলো এলোমেলো ঘুঙুরের ডাক ,
... অপমানের প্রচ্ছন্ন স্মৃতি হাতের তালুতে ঢেকে ... মনে করার চেষ্টা করতাম তোমার ডাকনাম কোন বইয়ের খাঁজে রেখে দিয়েছি কিনা ।
তোমার নামের আদ্যক্ষর গ্রাস করেছিল বোধ হয় সেদিন আমাকে তাই চৈত্র ছাড়াই সমস্ত সর্বনাশ আমার অবিরিন ছিঁড়ে ফেলেছিলো ।
নাভি থেকে বিবস জ্যোৎস্নায় তোমার এলোমেলো
আঙুলের আসা যাওয়া অধিকার বর্তিয়ে দিতো সেসব দিনে ।
পোড়া দাগ নদীরা ধুয়ে দেয় কিনা জানি না ,
তবে ছটফটে শেকল নোঙর বন্দর
.. চিনে রাখে বহু দূরের যাত্রীকে ।
নীল দেওয়ালে দাগ কেটে কেটে দিন গোনা... ছোটো ছোটো নিজস্ব যুদ্ধ আমার মত প্রত্যেকেরই থাকে
... বিকৃত রক্তপাতও আমার মত প্রত্যেকের ভেতরে ঘটে যায় ।
অথচ আছি আর নেই এর মাঝে ব্যাপক সমাধান করে ফেলা যায় যে নিদারুন কর্পোরেট সময়ে ,
যেমন যাত্রীনিবাস , যেমন বাসস্ট্যান্ড , যেমন আমাদের সেই কেঁপে ওঠা উত্তরা লগ্নের ঘর ,
তেমন চার আঙ্গুল জমিন ...আর বিধাতার অদৃশ্য খাগের কলম ,
জানি এসব তুমি বুঝবে না ...এসো তার চেয়ে বরং আমরা ত্রিপিটক খুলে গঙ্গায় ভেসে যাই এই ভেবে ...যে কত টুকুই বা আমার বলতে ছিলো যার জন্যে
এত ভাবনা ...আমি নিঃস্ব এসেছিলাম নিঃস্ব রয়েছি .... নিঃস্ব হয়েই ভেসে যাবো ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন